adplus-dvertising

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে , স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন

অনুষ্ঠিত

হয়েছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার সকালে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ

মানববন্ধনে

গাজীপুর মহানগরীর ১৬২টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ প্রায় ১০ হাজার মানুষ যোগ দেন।

আরও খবর পেতে ভিজিট করুউঃ dailypotrika.xyz

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশের সব

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর আগে ২০২০ ও ২০২১ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৮ মাসের জন্য বন্ধ ছিল। ফলে সারাদেশে বাল্যবিয়ের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

অনলাইন ক্লাসে যোগদানের জন্য শিক্ষার্থীদের তাদের স্মার্টফোন তুলে দিতে হয়েছিল। জেলা হোটেল-রেস্তোরাঁ সাধারণ শ্রমিকবৃন্দের ব্যানারে আজ সোমবার বেলা ১১টায় নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিক মো. তারেকুল ইসলাম, মিজান হাওলাদার, আবুল বাশার ও মো. নাসিরসহ অন্যান্যরা।

শিক্ষকদের সাথে জড়িত বা অধ্যয়নের পরিবর্তে

, শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়াল ড্রাগ পাব গেম এবং ফ্রি ফায়ার গেম সহ ক্ষতিকারক ইন্টারনেট অ্যাপে আসক্ত হয়ে পড়ছে। পিতা-মাতা ও পরিবারের সদস্যদের

প্রতি স্নেহ দেখানোর পরিবর্তে শিশু-কিশোররা অসহিষ্ণু ও সহিংস আচরণ করছে। কিশোর-কিশোরীরা পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হয়ে পড়ছে। শিক্ষা

প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রকৃত যোগাযোগের অভাবে মেধাহীন প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে। বিপুল সংখ্যক কিশোর ছাত্র দলে যোগ দিচ্ছে এবং ভয়ঙ্কর অপরাধী

হিসেবে বেড়ে উঠছে।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রুহল আমিন গ্লাস ভেঙ্গে মঞ্জুরের মাথায় রক্তাক্ত জখম করে। আহত মঞ্জুকে শের-ই বাংলা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। বক্তারা শ্রমিক নির্যাতনকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে

বক্তারা আরও বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে ছেলে-মেয়েরা কিশোর বয়সে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে। শিক্ষার্থীরা ভালো কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে না পেরে পরিবার ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর মন্দ কাজে জড়িয়ে পড়ছে। শিক্ষক ও একাডেমীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান থেকে বঞ্চিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। পাড়ার অসাধু বন্ধুদের সঙ্গমে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা।

এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে যত দ্রুত সম্ভব দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানান তিনি। মানববন্ধনে অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেন ড. শহিদুল ইসলাম মন্ডল, শিক্ষক মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ মিঠু, মোহাম্মদ হান্নান সরকার, তুমিজুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ, ইরান শাহ রাব্বানী, আমির হোসেন ও মামুনুর রহমান প্রমুখ।

বিডি প্র.

About Admin

Check Also

অনলাইন ক্লাসই কাল হলো কিশোরের

অনলাইন ক্লাসই কাল হলো কিশোরের

অনলাইন ক্লাসই কাল হলো কিশোরের, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.