adplus-dvertising

ভোটের মাঠে সশস্ত্র লড়াই

ভোটের মাঠে সশস্ত্র লড়াই, সপ্তম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভোট নিয়ে গতকাল বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র লড়াই, হামলা, ভাঙচুর ও হতাহতের

ঘটনা

ঘটেছে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এ দিন গুলিবর্ষণ, সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর হয়েছে। এ সময় শিশুসহ দুজন নিহত হওয়ার খবর

পাওয়া

গেছে। ঠাকুরগাঁওয়ে ককটেল হামলা, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে হামলা চালিয়ে ব্যালট পেপার ছিনতাই, জয়পুরহাটে সিল মারা ব্যালট পেপার

উদ্ধারের

ঘটনা ঘটেছে। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর

আরও খবর পেতে ভিজিট করুউঃ dailypotrika.xyz

ভোটের মাঠে সশস্ত্র লড়াই

সাতকানিয়া উপজেলার ১৬টি ইউপিতে নির্বাচনী সহিংসতায় ১১ জন আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন

বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে দায়িত্বরত জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, সাতকানিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ,

ছুরিকাঘাত ও লাঠির আঘাতে আহত ১১ জনকে দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা

হয়েছে। স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাতকানিয়া উপজেলায় নির্বাচন চলাকালীন সোনাকানিয়া, নলুয়া, খাগরিয়া ইউপির কয়েকটি ভোট

কেন্দ্র দখলকে কেন্দ্র করে নৌকা-স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খাগরিয়া ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দীনের সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আকতার হোসেনের সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

এক পর্যায়ে কেন্দ্র দখলে নিতে উভয় পক্ষে

গুলি বিনিময় হয়। সোনাকানিয়া ইউনিয়নে ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে

নৌকা প্রতীকে সিলসহ ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তাহের। এদিকে সাতকানিয়ার নলুয়া ও বাজালিয়া

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পক্ষে-বিপক্ষে প্রার্থীদের মধ্যে সংঘাতের সময় শিশুসহ দুজন নিহত হয়েছেন। নলুয়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মরফলা বোর্ড

কেন্দ্রের বাইরে ও বাজালিয়ার ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- তাসিফ (১২) ও আবদুর শুক্কুর (৩৫)। তাসিফের বাবার নাম জসিম

উদ্দিন। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। আবদুর শুক্কুর স্থানীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী তাপস কান্তি দত্তের অনুসারী। তাছাড়া আহত হয়েছেন অনেকেই।

তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ভর্তি হয়েছেন শারফিন (১৮), প্রিয়তোষ তালুকদার (৪৬), মো. আরিফ (১৮), আশরাফ (২১), আকাশ দাশ (১৮) ও মো. নাজিম (২৩)। তারা সবাই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাসিফের চাচা মিজানুর রহমান বলেন, কেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী লিয়াকত আলীর সমর্থকদের সঙ্গে বিদ্রোহী মিজানুর রহমানের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এক পক্ষ তাসিফকে

কুপিয়ে জখম করে। পরে তাকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাসিফের চাচা মিজানুর রহমান

৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী।

ভোটের মাঠে সশস্ত্র লড়াই

একইভাবে বাজালিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী তাপস কান্তি দত্তের সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের

‘বিদ্রোহী’ আনারস প্রতীকের প্রার্থী মো. শহিদুল্লাহ চৌধুরীর সমর্থকদের সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে শুক্কুর গুলিবিদ্ধ হলে তাকে

স্থানীয় কেরানীহাট মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে সাতকানিয়ার

খাগরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। দুই বিবদমান চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী

লীগের আকতার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দিনের অনুসারীদের মধ্যে এ অবস্থা চলে। এ ঘটনায় খাগরিয়া ইউনিয়নের দুটি ভোট কেন্দ্রে ভোট

গ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এগুলো হলো- খাগরিয়া গনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও খাগরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্র। এই ইউপিতে

অস্ত্রের মহড়াও চলে।

About Admin

Check Also

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে , স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.